
এসআরবি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে। ভেজাল ঔষধ বিক্রি ও মজুদ, মাদক, জালিয়াতি, নকল পণ্য, প্রসাধনী ও ওষুধ নির্মূল এসব ক্ষেত্রে এসআরবির সক্রিয় অভিযান সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৮/০৯/২০২৬ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০:৩০ ঘটিকা হতে দুপুর ১৪:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত এসআরবি সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট্ব জনাব মো: আবু হাসান-এর নেতৃত্বে ও ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং এসআরবি-১০ এর সহযোগিতায় ডিএমপি, ঢাকার কোতোয়ালি থানাধীন বাবুবাজার এলাকায় একটি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে বিএসটিআই অনুমোদনবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন, বিক্রি ও মজুদের প্রমাণ পাওয়া যায়। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১। রিপন নন্দী’কে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ টাকা), ২। মো: শাকিব (২২)’কে ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার টাকা), ৩। মো: শরিফ খান’কে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার টাকা), ৪। মো: নীবির (১৮)’কে ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার টাকা), ৫। নাঈম হোসেন রানা (২৩)’কে ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার টাকা), ৬। রাজন চন্দ্র রায় (৩৫)’কে ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার টাকা), ৭। মহিউদ্দিন (৩৯)’কে ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার টাকা), ৮। আব্দুল কাদের’কে ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার টাকা), ৯। মো: শরিফ (২২)’কে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার টাকা) ও ১০। কামরুজ্জামন’কে ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় অতিরিক্ত আরও ০৪ টি দোকান থেকে ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্তৃক ধ্বংসের নিমিত্তে অননুমোদিত দেশী, বিদেশী ভেজাল ঔষধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে ভেজাল ও প্রতারণামূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে এসআরবির জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।